আন্তর্জাতিক

বিছানায় ঝ’ড় তুলতে গিয়ে, হা’সপাতালে ভর্তি ভারতীয় সে’নাবাহিনী!

স্ত্রী’র সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই বড় ধরনের বি’পদে পড়েন ওই স্বামী।দা’ম্পত্য জীবনে সুখ ফিরিয়ে আনতে স্বামীর

কাছে স্ত্রী’র ‘বিশেষ আবেদন’। নিজের স্ত্রী’র এমন আবেদনে স্বামীও সাড়া দেন। এখানে ঘটে যায় বি’পত্তি।তাহলে ঘটনাটি

খুলে বলা যাক- স্ত্রী’র দেয়া‘বিশেষ মলমে’ বাড়বে শারী’রিক সুখ। স্ত্রী যদিও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বি’পদের হাত

থেকে র’ক্ষা পেয়েছেন তিনি।ভারতের মহারাষ্ট্রে এই ঘ’টনাটি ঘ’টেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানা

যায়,স’ম্প্রতি ভারতের মুম্বাই ম’হারাষ্ট্রের এক যুবক তার স্ত্রী’র বি’রুদ্ধে চা’ঞ্চল্যকরঅ’ভিযোগ এনেছেন। ওই যুবক

ভারতীয় সে’নাবা’হিনীতে কাজ করেন। কিছুদিন আগেছুটির সময়ে তিনি নিজের বাড়িতে আসেন।আর সেই সময়ে ঘটে

এই বিপত্তি।ভু’ক্তভোগী ওই স্বামীর অ’ভিযোগ, তার স্ত্রী’ বিশেষ একটি মলম দেন তাকে। ওই মলমটি গো’পনাঙ্গে দিলেই

শারী’রিক উত্তে’জনা বেড়ে যায় বলে তাকে (স্বামীকে) জানায় তার স্ত্রী’।ওই যুবক স্ত্রী’র কথামতো মলমটি পুরুষাঙ্গে মেখে

নেন।কিন্তু, এরপরই প্র’চণ্ড ব্য’থা শুরু হয় ওই যুবকের গো’পনাঙ্গে।শেষ পর্যন্ত ব্যথা সর্হ্য করতে না পেরে চি’কিৎসকের

কাছে যান তিনি। চিকিৎসার পরে ওই যুবক এখন মোটামুটি সু’স্থ রয়েছেন বলে জানা যায়। ওই স্বামীর অ’ভিযোগে আরও
বলেন, ওই মলমের মধ্যে বি’ষ মাখানো ছিল। প্রেমিকের স’ঙ্গে মিলে তাকে হ’ত্যার প’রিক’ল্পনা করেছিল তার স্ত্রী’।এই

অ’ভিযোগের ভিত্তিতে ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পু’লিশ। এ ঘটনার পর থেকে প’লাতক রয়েছে ওই গৃহবধূর প্রেমিক। ইতোমধ্যে তার খোঁজে অ’ভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পু’লিশ।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে সেই ধ’র্ষিতা সহজ সরল কিশোরি (১৪) অবশেষে ফুটফুটে ছেলে সন্তানের মা হলেও বাবা হলেন না কেউ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অত্যন্ত গো’পনীয়তায় লাকসামের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ওই কিশোরি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।

ছেলেটির ঠোঁট কা’টা রয়েছে। ভাতিজিকে ধ’র্ষনের অ’ভিযোগে লম্পট চাচা সোহেল (৪৫) কে গ্রে’ফতার করে জলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মা’মলার পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে শিশুটির ডিএনএ টেষ্ট করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাচা কর্তৃক ভাতিজিকে ধ’র্ষণে আট মাসের অন্তসত্ত্বা হওয়ার ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক জানাজানি হলে বিষয়টি ‘টক অব দ্যা নাঙ্গলকোটে‘ পরিণত হয়। এ নিয়ে সমাজপতিরা কয়েক দফা সা’লিশ বৈঠকে বসেও ঘটনাটির কোন সুরাহা না করে সময়ক্ষেপন করে ধামাচা’পা দেয়ার চে’ষ্টা করে।

এঘটনায় গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে। ফলে এলাকায় উ’ত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃ’ষ্টি হয়। ঘটনাটির সুষ্ঠু বি’চার না হলে কিশোরির ভাই রাসেল তার বোনকে নিয়ে আত্মহ’ত্যার ঘোষণা দেয়।

পরে ১৩ জুন শনিবার বিকেলে নাঙ্গলকোট থা’নার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী পু’লিশ ফোর্স পাঠিয়ে কিশোরির ভাই রাসেলকে থা’নায় নিয়ে আসেন। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টায় ওই কিশোরি এবং তার পিতাকেও থা’নায় হাজির করা হয়।

রাত ১২টার দিকে কিশোরির পিতা তার মেয়েকে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ এনে ভাই সোহেলকে আ’সামী করে থা’নায় নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন আ’ইনে মা’মলা করেন। পরেরদিন ১৪ জুন রবিবার সকালে পু’লিশ আ’সামী সোহেলকে গ্রে’ফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

ওইদিন কিশোরি চাচা সোহেলকে দা’য়ী করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেন। একইদিন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিশোরির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

থা’না পুলিশ ও মা’মলা সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর মা অ’সুস্থ থাকায় গত বছরের নভেম্বর মাসে তার পিতা তার মাকে নিয়ে কুমিল্লার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে যান। চিকিৎসার তাগিদে ওই হাসপাতালের তারা ৫/৬দিন অবস্থান করেন।

এ সুযোগে বাড়িতে কেউ না থাকায় চাচা সোহেল কিশোরিকে জো’রপূর্বক টানা চারদিন ধ’র্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফে’লার হু’মকি প্রদান করে। বিষয়টি প্রথম পর্যায়ে ওই কিশোরি কাউকে না বললেও তার শারীরীক পরিবর্তনে এলাকার সর্বত্রই জানাজানি হয়ে যায়।

মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা উপ-পরিদর্শক (এস.আই) আখতার হোসেন জানান, চাচা কর্তৃক ধ’র্ষণের পর অন্তঃসত্তা কিশোরীর মা হওয়ার ঘটনাটি জানতে পেরেছি। মা’মলার পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে শিশুটির ডিএনএ টেষ্ট করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Comment here