এক্সক্লুসিভ

১০ হাজার টাকার জন্য কলেজছাত্রীর কাণ্ড

বরিশাল নগরীতে বিকাশ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা খুইয়েছেন এক কলেজছাত্রী।,,,

উপবৃত্তির পাওনা টাকা পরিশোধ করার কথা বলে অভিনব পন্থায় চক্রটি ওই শিক্ষার্থীর টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত শনিবার সকালে বরিশাল নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আমিরকুটির এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন প্রতারণার শিকার নদিয়া আক্তার নামের ওই কলেজছাত্রী।….

তিনি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া গ্রামের আলমগির হোসেনের মেয়ে এবং দুমকি জনতা কলেজের বিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। নাদিয়া নগরীর আমির কুটির এলাকায় বসবাস করেন। জিডিতে ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী উল্লেখ করেন, বিকাশ প্রতারক চক্রটির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রতারক চক্রের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

কলেজছাত্রী জানান, তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষের ছাত্রী। তিনিসহ তাদের বর্ষের কিছু শিক্ষার্থী গত দুই বছর ধরে উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছেন না। হঠাৎ গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি (যার ফোন নম্বর- ০১৮২৮-৫৮৮৪৯৬ এবং ০১৮৮৮-৫৩৩৯৯১) দুই দফা ফোন করেন। এ সময় শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি কলেজছাত্রীর নাম-রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানিয়ে তার পাওনা দুই বছরের উপবৃত্তির টাকা পরিশোধ করা হবে বলে জানান। এ জন্য তাকে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠাতে বলেন।

ওই ছাত্রী জিডিতে আরও উল্লেখ করেন, ওই টাকা পাঠালে তিনি দুই বছরের ১০ হাজার ২০০ টাকাসহ মোট ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা পাবেন বলে জানানো হয়। ওই টাকা পাওয়ার জন্য তাকে একটি গোপন নম্বর (২৫৫০০) দেন ওই প্রতারক। শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া ব্যক্তির কথামতো বিকাশ এজেন্টের কাছে গিয়ে গোপন নম্বর টিপে ০১৮৫২-৮৮৩৬৬৪ ডায়েল করা মাত্রই এজেন্টের একাউন্ট থেকে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘টাকা পাঠানোর পর থেকেই প্রতারক চক্রের মোবাইল নম্বর দুটি বন্ধ হয়ে যায়। একাধিকবার কল দেওয়ার পরেও যখন নম্বরটি বন্ধ পাই তখন আমি বুঝতে পারি প্রতারণার শিকার হয়েছি।’ এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান ওই ছাত্রী।

কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম ওই ছাত্রীর জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক চক্রটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অচিরেই চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের ওতায় নিয়ে আসতে পারবো।’

বরিশাল নগরীতে বিকাশ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা খুইয়েছেন এক কলেজছাত্রী।

উপবৃত্তির পাওনা টাকা পরিশোধ করার কথা বলে অভিনব পন্থায় চক্রটি ওই শিক্ষার্থীর টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত শনিবার সকালে বরিশাল নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আমিরকুটির এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন প্রতারণার শিকার নদিয়া আক্তার নামের ওই কলেজছাত্রী।

তিনি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া গ্রামের আলমগির হোসেনের মেয়ে এবং দুমকি জনতা কলেজের বিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। নাদিয়া নগরীর আমির কুটির এলাকায় বসবাস করেন। জিডিতে ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী উল্লেখ করেন, বিকাশ প্রতারক চক্রটির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রতারক চক্রের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

কলেজছাত্রী জানান, তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষের ছাত্রী। তিনিসহ তাদের বর্ষের কিছু শিক্ষার্থী গত দুই বছর ধরে উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছেন না। হঠাৎ গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি (যার ফোন নম্বর- ০১৮২৮-৫৮৮৪৯৬ এবং ০১৮৮৮-৫৩৩৯৯১) দুই দফা ফোন করেন। এ সময় শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি কলেজছাত্রীর নাম-রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানিয়ে তার পাওনা দুই বছরের উপবৃত্তির টাকা পরিশোধ করা হবে বলে জানান। এ জন্য তাকে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠাতে বলেন।

ওই ছাত্রী জিডিতে আরও উল্লেখ করেন, ওই টাকা পাঠালে তিনি দুই বছরের ১০ হাজার ২০০ টাকাসহ মোট ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা পাবেন বলে জানানো হয়। ওই টাকা পাওয়ার জন্য তাকে একটি গোপন নম্বর (২৫৫০০) দেন ওই প্রতারক। শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া ব্যক্তির কথামতো বিকাশ এজেন্টের কাছে গিয়ে গোপন নম্বর টিপে ০১৮৫২-৮৮৩৬৬৪ ডায়েল করা মাত্রই এজেন্টের একাউন্ট থেকে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘টাকা পাঠানোর পর থেকেই প্রতারক চক্রের মোবাইল নম্বর দুটি বন্ধ হয়ে যায়। একাধিকবার কল দেওয়ার পরেও যখন নম্বরটি বন্ধ পাই তখন আমি বুঝতে পারি প্রতারণার শিকার হয়েছি।’ এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান ওই ছাত্রী।

কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম ওই ছাত্রীর জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক চক্রটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অচিরেই চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের ওতায় নিয়ে আসতে পারবো।’

Comment here